বৃহস্পতিবার , ৯ ডিসেম্বর ২০২১
  • প্রচ্ছদ » খেলা » গ্রুপ-১ এর পাঁচ দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান দেখে নিন


গ্রুপ-১ এর পাঁচ দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান দেখে নিন




ফটো নিউজ ২৪ : 23/10/2021


-->

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর দু’মাস আগের কথা। আইসিসি তখন জানিয়েছিল, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা প্রথম রাউন্ডে নিজ নিজ গ্রুপে সেরা দুইয়ে থেকে উঠলেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন।

তখন বাংলাদেশের সমর্থকরা ধরেই নিয়েছিলেন সুপার টুয়েলভে তাদের মোকাবিলা করতে হবে ভারত-পাকিস্তানের মতো দুই এশিয়ান জায়ান্টকে।

তবে টুর্নামেন্ট শুরু হতে না হতেই সুর বদলাল আইসিসি। ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থাটি জানিয়েছে, বি-১ হতে হলে বাংলাদেশকে গ্রুপের শীর্ষে থাকতে হবে। বাংলাদেশ প্রথম পর্ব শেষ করেছিল ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে।

তাই বাংলাদেশকে সুপার টুয়েলভে গ্রুপ ১-এ খেলতে হবে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। আর সবকটি ম্যাচই মাহমুদউল্লাহরা খেলবেন বাংলাদেশ সময় বিকাল চারটায়।

চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক গ্রুপ-১ এর পাঁচ দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান কেমন-

১। ২৪ অক্টোবর, প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা, ভেন্যু: শারজা

২০০৭ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে সুপার এইটে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটি ছিল ‘ডু-অর-ডাই’। দুর্দান্ত বোলিংয়ে শতরানের কোটা পার হওয়ার আগেই লঙ্কানদের অর্ধেক ব্যাটসম্যানকে সাকিব আল হাসান, মাশরাফি বিন মর্তুজারা ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়ে দিয়েছিলেন। এরপরও ৫ উইকেটে ১৪৭ রান সংগ্রহ করেন মাহেলা জয়বর্ধনেরা। ১৪৮ রান তাড়া করতে নেমে লঙ্কার ‘ঝাঁজে’ ২৫ বল হাতে রেখে ৮৩ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।

 

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বশেষ ২০১৮ সালে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। তিন বছর আগে হলেও সেবার নিদাহাস ট্রফিতে শ্বাসরুদ্ধকর দুটো ম্যাচে জয়ী দলের নামটাই যে বাংলাদেশের!

২। ২৭ অক্টোবর, প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, ভেন্যু: আবুধাবি

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ তো দূরে থাক, একটা টি-টোয়েন্টি ম্যাচ পর্যন্ত খেলা হয়নি বাংলাদেশের। বিশ্বকাপ দিয়েই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবেন সাকিব আল হাসানরা।

৩। ২৯ অক্টোবর, প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভেন্যু: শারজা

২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই বাংলাদেশ মুখোমুখি হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। আর প্রথম চালেই বাংলাদেশ করল কিস্তিমাত।

জোহানেসবার্গে উইন্ডিজের দেওয়া ১৬৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ ৪ ওভারে ২৮ রানে হারায় দুই উইকেট। এরপর দৃশ্যপটে আসেন মোহাম্মদ আশরাফুল।

তৃতীয় উইকেটে আফতাব আহমেদের সঙ্গে ১০৯ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের জয়ের পথ সুগম করে দেন আশরাফুল। তিনি অপরাজিত থেকে শেষ করতে পারেননি ঠিকই। তবে তার ২৭ বলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৬১ রানের ঝড়ো ইনিংসেই বাংলাদেশকে ২ ওভার হাতে রেখেই ৬ উইকেটের বিশাল জয় এনে দিয়েছিল।

এই হারের প্রতিশোধ অবশ্য উইন্ডিজরা ঠিকই নিয়েছিল। ২০১৪ বিশ্বকাপে ঢাকায় স্বাগতিকদের ৭৩ রানের পরাজয়ের লজ্জা উপহার দিয়েছিলেন ক্রিস গেইলরা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে সর্বশেষ খেলেছিল তিন বছর আগে, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে। তাতে কী! সর্বশেষ ৬ ম্যাচে সমান সংখ্যক জয় ও পরাজয়ই উইন্ডিজদের বিপক্ষে আত্মবিশ্বাস যোগাতে অবদান রাখবে।

৪। ০২ নভেম্বর, প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা, ভেন্যু: আবুধাবি

কেপটাউনে ২০০৭ সালে আফতাবের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বড় স্কোরের পথে ভালোই এগোচ্ছিল বাংলাদেশ; কিন্তু প্রোটিয়াদের বোলিং তোপে তিন বল হাতে রেখেই ১৪৪ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা। ১৪৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা দক্ষিণ আফ্রিকা ৭ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের বিশাল জয় তুলে নেয়।

 

বিশ্বকাপে একবার হলেও এরপর আরও পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা-বাংলাদেশ। প্রতিবারই জয়ী দলের নাম দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে বাংলাদেশকে এখানে ভরসা যোগাবে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত দুটি সিরিজ জয়।

৫। ০৪ নভেম্বর, প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, ভেন্যু: দুবাই

বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মুখোমুখি হয়েছিল চারবার। ২০০৭ সালে প্রথম বিশ্বকাপেই অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ । কেপটাউনে ব্রেট লির দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশ করেছিল ৮ উইকেটে ১২৩ রান। দুই ওপেনার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও ম্যাথ্যু হেইডেনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৩৭ বল হাতে রেখে ৯ উইকেটের বিশাল জয় তুলে নেয় অস্ট্রেলিয়া।

তিন বছর পর ২০১০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সামনে এসেছিল ‘প্রতিশোধের’ সুযোগ। ব্রিজটাউনে ‘বাঁচা-মরার ম্যাচে’ মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিবের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৬৫ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে অজিরা।

১০০ রানের নিচে যখন অলআউট হওয়ার শঙ্কা, তখনই পাশার দান উল্টে দেওয়া শুরু করেন মাইক হাসি। ২৯ বলে ৪৭ রানের হাসির অপরাজিত ইনিংসে ৭ উইকেটে ১৪১ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে ৮ বল হাতে রেখে ১১৪ রানে গুটিয়ে গেলে টূর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে যান সাকিবরা।

২০১৪ সালে ঢাকা, ২০১৬ সালে বেঙ্গালুরু- বাংলাদেশের ভাগ্য আর বদলায়নি। বিশ্বকাপে চার ম্যাচের চারটিতে হারলেও বাংলাদেশকে আত্মবিশ্বাস যোগাবে ঘরের মাঠে দু’মাস আগে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ জয়।


-->


সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক: আবু সুফিয়ান
চেয়ারম্যান: মুসলিমা সুফিয়ান

কল: 01723-980255,01919-972103
নিউজ রুম :01710-972103
ইমেল: Photonews24@yahoo.com

১২মধ্য বেগুনবাড়ি,তেজগাঁও শিল্প এলাকা,ঢাকা -১২০৮
ইমেল: shufian707@gmail.com