বৃহস্পতিবার , ২১ মে ২০২০


করোনার চিকিৎসায় সহায়তা করতে পারে গাঁজার নির্যাস




ফটো নিউজ ২৪ : 19/05/2020


-->

করোনা আতঙ্কে ভুগছে সারা বিশ্ব। এই মারণ ভাইরাসে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। মারা যাচ্ছেন শত শত মানুষ। ক

রোনার চিকিৎসায় এখনো কোনো ওষুধ বা ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়নি। চলছে গবেষণা। পাওয়া যাচ্ছে নতুন নতুন তথ্য। আর এবার বলা হচ্ছে, করোনার চিকিৎসায় সহায়তা করতে পারে গাঁজার নির্যাস।

কানাডিয়ান গবেষকরা করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে গাঁজার ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা করছেন। ক্যালগেরির লেথব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা গাঁজার চারশটিরও বেশি স্ট্রেন নিয়ে গবেষণা করছেন। তারা এক ডজনের বেশি গাঁজার স্ট্রেন নিয়ে করোনার চিকিৎসার করার জন্য সম্ভাব্য প্রস্তাব দিতে পারে। তারা বলছেন, ওই সব স্ট্রেনগুলো কোনো হোস্টকে সংক্রমিত করতে বাধা দেয়।

গবেষকদের মতে, কার্যকর স্ট্রেনগুলো কিছু ক্ষেত্রে ভাইরাস রিসেপ্টরগুলোকে কমাতে সক্ষম। যা কোনো ব্যক্তিকে করোনা ধরার সুযোগ কমিয়ে দেয়। ডা. ইগর কোভালচুক ক্যালগারি হেরাল্ডকে জানিয়েছেন, গাঁজা করোনায় আক্রান্ত হওয়ার বেশিরভাগ রিসেপ্টারের সংখ্যা কমিয়ে দেয়। ৭৩ শতাংশ কমিয়েছে। তাই মানব শরীরে করোনার প্রবেশের সম্ভাবনা অনেক কম। তিনি বলেন, যদি রিসেপ্টারের সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে তাহলে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম।

প্রথমিক এক গবেষণায় এই তথ্য জানা গেছে। ডা. ইগর কোভালচুক জানিয়েছেন, সিবিডি (গাঁজা থেকে তৈরি এক বিশেষ নির্যাস), টিএইচসি (টেট্রাহাইড্রোকান্নাবিল) বা এর উপাদানগুলোর সংমিশ্রণের ফলে রিসেপ্টর কমে যাচ্ছে কি-না তা সুনির্দিষ্টভাবে বোঝাতে আরো অনেক গবেষণা করা দরকার।

প্রথমিক এই গবেষণাটি এখনো পিয়ার রিভিউ হয়নি। গবেষণায় ফুসফুস, অন্ত্র ও মুখের মধ্যে থাকা করোনার হোস্ট সন্ধান থেকে ভাইরাসকে কিভাবে বিরত রাখা যায় তার দিকে নজর দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে তারা ব্যবহার করেছেন গাঁজার নির্যাস।

গবেষকদের মতে, এটি নিয়ে আরো গবেষণা করা উচিত। বিষয়টিকে আরো সফলভাবে প্রমাণ করা উচিত। ইগর কোভালচুক বলেন, মেডিক্লিনিক্যাল মাউথ ওয়াশগুলো দিয়ে মুখ ধোয়া, গারগলস, জেল ক্যাপস বা ইনহাল্যান্ট করে সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো যাবে।

কোভালচুক বলেন, আমাদের গাঁজার নির্যাস এক্ষেত্রে অনেক সফল। এটি নিয়ে আরো গবেষণা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত থেরাপি হিসেবে কভিড-১৯ এর চিকিত্সার জন্য দরকারি ও নিরাপদ সংযোজন হতে পারে এটি। বর্তমানের ভয়াবহ পরিস্থিতি মাথায় রেখে প্রতিটি সম্ভাব্য থেরাপিকে বিবেচনা করতে হবে। প্রাথমিক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ফলাফল পাওয়ার পরও গবেষকরা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করতে অর্থ পাননি এখনো।

কোভালচুক আরো বলেন, করোনার চিকিৎসায় আমাদের কাজ ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ এই মহামারির সময় এমন কোনো ওষুধ নেই যা ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ সংক্রমণ কমিয়ে রাখতে পারে। কিন্তু এই বিশেষ নির্যাস পারে।

কানাডিয়ান গবেষণার পাশাপাশি ইসরায়েলেও গাঁজার নির্যাস নিয়ে গবেষণা চলছে। দেশটির একদল গবেষকও কভিড -১৯- এ আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষতিগ্রস্থ কোষগুলোকে মেরামত করার উপায় হিসেবে গাঁজার নির্যাস ব্যবহার করতে পারবেন কি-না তা পরীক্ষা করার জন্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালও শুরু করেছেন।

সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট।


-->


সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক: আবু সুফিয়ান
চেয়ারম্যান: মুসলিমা সুফিয়ান

কল: 01723-980255,01919-972103
নিউজ রুম :01710-972103
ইমেল: Photonews24@yahoo.com

১২মধ্য বেগুনবাড়ি,তেজগাঁও শিল্প এলাকা,ঢাকা -১২০৮
ইমেল: shufian707@gmail.com