রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯
  • প্রচ্ছদ » সর্বশেষ ৩ » বিএনপি প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টের দেখা মেলেনি ঢাকার অনেক ভোটকেন্দ্রে


বিএনপি প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টের দেখা মেলেনি ঢাকার অনেক ভোটকেন্দ্রে




ফটো নিউজ ২৪ : 30/12/2018


-->

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার অনেক ভোটকেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টের দেখা মেলেনি।

প্রিজাইডিং অফিসাররা বলছেন, বিএনপির প্রার্থীরা পোলিং এজেন্ট দেননি। কোনো প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না, সেই অভিযোগ তারা পাননি।

 

রোববার সকাল ৮টা থেকে ভোট শুরুর পর ঢাকার বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, সব কেন্দ্রেই নৌকার প্রার্থীর এজেন্ট রয়েছে।

কেন্দ্রের বাইরে বুথ বসিয়ে সেখান থেকে ভোটারদের স্লিপ বিতরণ করছেন তারা।

কিছু কিছু কেন্দ্রের বাইরে বিএনপি প্রার্থীর নামে বুথ দেখা গেলেও সেখানে তেমন কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি।

 

একজন প্রতিবেদক জানান, ধুপখোলা মাঠের পাশে ঢাকা-৬ আসনের মেয়র সাইদ খোকন কমিউনিটি সেন্টারে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয় পুলিশ।

 

এ বিষয়ে ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঢাকা-১০ আসনের হাজারীবাগ সালেহা স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র, হাজারীবাগ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র এবং ঢাকা-৭ আসনের ভাগলপুর সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে পোলিং এজেন্ট থাকলেও অন্য প্রার্থীদের কোনো এজেন্ট ছিল না।

ঢাকা-৫ আসনে মাতুয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের ৯৫ নম্বর কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো. আসাদুজ্জান জানান, এই কেন্দ্রে শীষের কোনো এজেন্ট নেই।
তিনি বেলা ১২টার দিকে বলেন, “এখন পর্যন্ত ধানের শীষের এজেন্টরা আসেননি। শুধু নৌকার প্রার্থী হাবিবুর রহমান মোল্লার এজেন্ট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আম প্রতীকের এজেন্টরা এসেছেন।”

 

৯০ নম্বর মাতুয়াইল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আব্দুল হান্নান জানান, তার কেন্দ্রে নৌকা ও লাঙ্গল প্রতীকের এজেন্ট থাকলেও ধানের শীষের এজেন্ট নেই।

তবে মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থীর সাতজন এজেন্টকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।

মোহাম্মদপুরের নূরজাহান রোডে মোহাম্মদপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থীর এজেন্ট ছিল না।

শাহীন আক্তার নামে ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপি প্রার্থীর একজন এজেন্ট অভিযোগ করেন, সকালে দায়িত্ব পালনে কামাল মজুমদার স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে গেলে নৌকার সমর্থকরা তাকে কেন্দ্রে প্রবশে বাধা দেন। পরে তিনি কেন্দ্রে প্রবেশ করতে চাইলে মারধর করা হয়।

এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার জাহেদুল কবির খান বলেন, “কেন্দ্রের ভেতরে কোনো সমস্যা হয়নি, ভোট নির্বিঘ্নে চলছে।

আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্যদের এজেন্ট আসেনি, হাতপাখার একজন এজেন্ট এলেও কিছুক্ষণ পরে বের হয়ে যান।”

 

ঢাকা-২ আসনে নৌকার প্রার্থী কামরুল ইসলাম আমিনবাজারে একটি কেন্দ্র পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের বলেন, “আমার আসনে সবাই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিচ্ছে। কোথাও কোনো গণ্ডগোলের খবর পাইনি। শীতের সকাল হওয়ায় ভোটারের উপস্থিতি একটু কম, ধীরে ধীরে বাড়বে আশা করি।”

হেমায়েতপুর আল নাছির কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সুভাস চন্দ্র সূত্রধর জানান, এ কেন্দ্রে নৌকা, ধানের শীষসহ সব প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট আছে।

ঢাকা-৬ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী কাজী ফিরোজ রশিদের এজেন্টরা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ববি হাজ্জাজের পোলিং এজেন্টদের মারধর করে বের করে দিয়েছেন বলে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেছেন ববি।

ওই আসনে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএম’র প্রার্থী ববি হাজ্জাজ রোববার সকাল পৌনে ১১টার দিকে নির্বাচন কমিশন সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ করে ১২টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত চান।

এগুলো হচ্ছে- কবি নজরুল কলেজ, গেন্ডারিয়া হই স্কুল, শেরেবাংলা স্কুল, মনিজা রহমান স্কুল, সেন্ট জোসেফ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সূত্রাপুর কমিউনিটি সেন্টার, সিলভার ডেল স্কুল, সাইদ খোকন কমিউনিটি সেন্টার, কে এল জুবিলি স্কুল, ইস্ট বেঙ্গল স্কুল, ফরাশগঞ্জ কমিউনিটি সেন্টার এবং ওয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র।

সকাল ৯টায় ইস্পাহানি স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়ে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার সাংবাদিকদের বলেন, “সকাল থেকে আমি অসংখ্য টেলিফোন পেয়েছি, অসংখ্য অভিযোগ এসেছে।”

কী ধরনের অভিযোগ পেয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আপনারা নিজেরাও জানেন, কেন প্রশ্ন করছেন?

“কমিশনার হিসেবে আমার কোনো একক রেসপনসিবিলিটি আছে বলে এখন আমি মনে করি না। আপনারা এদের জিজ্ঞেস করুন, কী রকম ভোট হচ্ছে। আমি তো বিরোধী দলের কোনো ইয়েকে দেখলাম না। পোলিং এজেন্ট আমি দেখতে পেলাম না।”

অনেক কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট না থাকলেও কিছু জায়গায় তাদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। বেলা ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুল কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে ধানের শীষ ও নৌকার প্রার্থীর এজেন্ট পাওয়া যায়।

ভোট কেমন হচ্ছে জানতে চাইলে মাহমুদুল হক নামে বিএনপি প্রার্থীর এজেন্ট বলেন, “এখানে কোনো সমস্যা নেই। সুষ্ঠুভাবে ভোট চলছে।”

কেন্দ্রের বাইরে থাকা একটি বুথ থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থক শিক্ষকদের ভোটার নম্বর নিতে দেখা গেছে।

 

সকালে কলাবাগানের লেক সার্কাস স্কুল কেন্দ্রে ভোট দিয়ে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, এই কেন্দ্র ছাড়া আরেকটি কেন্দ্র তিনি পরিদর্শন করেছেন। ওই দুই কেন্দ্রে বিএনপির এজেন্ট ছিল না।

বিএনপির এজেন্ট না থাকার বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদাকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, তিনি যে কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন সেই কেন্দ্রে নৌকার এজেন্টের বাইরে কোনো প্রতীকের পোলিং এজেন্ট দেখেননি।

কেন্দ্রে এজেন্ট দেখা যাচ্ছে না কেন সেই প্রশ্নি তিনি বলেন, “এটাতো এজেন্ট বলতে পারে। এজেন্টরা না আসলে এজেন্ট থাকবে না।”

বিএনপি প্রার্থীদের এজেন্টদের আসতে বাধা দেওয়া হচ্ছে কি না- এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, “সেটাতো আমি জানি না। কেউ বলেছে আসতে পারে নাই। এরকম বলেছে, আমার কাছে বলেনি।”

কেন্দ্রে সব প্রার্থীর এজেন্ট দেখেছেন কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমি খেয়াল করি নাই। সেটা জিজ্ঞাসা করি নাই।”

নৌকার স্লিপ ছাড়া ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধার অভিযোগ

নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর স্লিপ ছাড়া ভোটারদের কেন্দ্রে ঢোকায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ঢাকা-১৩ আসনের লালমাটিয়া মহিলা মহাবিদ্যালয় কেন্দ্রের সাবেক একজন শিক্ষিকা।

গলায় ঝোলানো সাংবাদিক কার্ড দেখেই এগিয়ে এসে তিনি বলেন, “নৌকার স্লিপ ছাড়া ভোটারদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, এটা তো ঠিক না। নৌকার স্লিপ কেন লাগবে? ভোটার নম্বর জানলেই তো হয়, এটা বাড়াবাড়ি।”

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সেখানকার প্রিজাইডিং অফিসার মো. রাজীব শেখ বলেন, “এটা ফালতু অভিযোগ। কেউই আওয়ামী লীগের ভোটার স্লিপ চাচ্ছেন না। ভোট না দিয়ে কেউ ফিরে গেছেন এমন নজির এই কেন্দ্রে নেই।”

 

ঢাকা-১৩ আসনের বেশ কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ কেন্দ্রের পাশে নৌকার প্রার্থীর বুথ থেকে ভোটারদের স্লিপ সরবরাহ করা হচ্ছে। অধিকাংশ কেন্দ্রের আশপাশে বিএনপি প্রার্থীর বুথ পাওয়া যায়নি।

নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে ভোটার তথ্য জেনে গ্রিনউডস স্কুল কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়েছিলেন প্রিন্টিং ব্যবসায়ী আমান।

কেন্দ্রে ঢোকার আগে কয়েকজন তাকে আওয়ামী লীগের বুথ থেকে ভোটার স্লিপ নিতে বললেও আগে থেকেই ভোটার নম্বর জানা থাকায় সেই স্লিপ সংগ্রহ করেননি তিনি।

“পরে ভোট দিতে যাওয়ার পর ভোটগ্রহণ কাজের সঙ্গে জড়িত একজন ভোটার স্লিপ দেখতে চান।

একটু ধমকের সুরে কথা বলায় এ নিয়ে আর কেউ কিছু বলেনি। পরে ভোটার নম্বর মেলানোর পর ভোট দিয়ে এসেছি।”

 

ভোট গ্রহণের সঙ্গে জড়িত কিছু কর্মকর্তা উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভোটার সিল্প নিয়ে বাড়াবাড়ি করেছেন বলে মন্তব্য করেন আমান।

গ্রিনউডস স্কুল কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা উজ্জ্বল সাহা বলেন, “আমার কেন্দ্রে এ রকম কোনো ঘটনা নেই। ভোট গ্রহণের কাজে জড়িত কেউই ভোটার স্লিপ চাচ্ছেন না।

“ভোটকেন্দ্রের বাইরে কোনো প্রার্থীর লোকজন ভোটার স্লিপ চাচ্ছেন কি না- সেটা আমি বলতে পারছি না। কারণ ওটা ভোটকেন্দ্রের বাইরের বিষয়।”

বাসাবো কদমতলা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে একজন নারী ভোটার সকাল পৌনে ৯টায় ভোট দিতে গেলে তাকে নৌকার স্লিপ নিয়ে আসতে বলা হয় বলে জানান।

ঢাকা-১৬ আসনে মিরপুর ১২ নম্বর এলাকায় দুটি ভোটকেন্দ্রের অনেক ভোটার জানান, বেলা সাড়ে ১২টার পর থেকে অনেক ভোটার কেন্দ্র থেকে ফিরে গেছেন। ভোটার নম্বর খুঁজে না পাওয়ায় বিড়ম্বনার কারণে এক কেন্দ্র থেকে অন্য কেন্দ্রে পাঠানো হয়। ইভিএমে ভোট না হলেও সার্ভার নষ্ট বা অজুহাত দেখিয়ে কেন্দ্র বের করে দেওয় হয়েছে কয়েকজনকে।

কাজীপাড়া এলাকার দুটি কেন্দ্রের বাইরে বেশ কয়েকজন ভোটারকে ভোটার নম্বর না পাওয়ায় ভোট কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা গেছে।

ঢাকা-১৬ আসনের মিরপুরের ৪৫ সেনপড়ার পর্বতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের বাইরে বেলা পৌনে ১টার দিকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাররা অপেক্ষা করলেও তাদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না।

ভোটারদের কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকতে না দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ পোদ্দার  বলেন, “ভোটারদের অনেকেই মোবাইল নিয়ে ঢুকতে চাওয়ার কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। অনেক ভোটারই মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে ঢুকতে চাচ্ছেন। অনেকেই ভোট দিতে এসে ছবি তুলছেন। যে কারণে মোবাইল চেক করে ভোটারদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একজন ভোটার এসে ভেতরের ছবি তুললে এ নিয়ে ঝামেলা হয়। পরবর্তীতে কোনো ভোটারকে আর মোবাইল নিয়ে ভেতরে ঠুকতে দেওয়া হচ্ছে না।”

মনসুর আহমেদ নামে শাহজাহানপুরের একজন বাসিন্দা দুপুরে ঢাকা-৯ আসনের খিলগাঁওয়ে মির্জা আব্বাস মহিলা ডিগ্রি কলেজ ভোটকেন্দ্রে ভোট দেন।

তিনি বলেন, “কেন্দ্রের পাশেই আমার বাসা। এই কেন্দ্রেই আমি ভোট দিয়ে থাকি। ভোট দিয়েছি। কিন্তু গতকাল আমার স্ত্রী মেসেজ পাঠিয়েও স্লিপ পায়নি। তাই সে ভোট দিতে পারেনি।”

এই কেন্দ্রের ভোটার তাজুদ্দিন আহমেদ বলেন, “স্মার্টকার্ড দেখিয়েও স্লিপ পাইনি।

বলা হয়েছিল, স্মার্টকার্ডের যারা স্লিপ পায়নি তারা সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে স্মার্টকার্ড দেখালেই ভোট দিতে পারবেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো ভিন্ন। আমি ভোট দিতে পারিনি। আমাকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি।”

মিরপুর-১০ নম্বরের আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ভেটকেন্দ্রে পৌনে ১টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

পরে সে ভোট কেন্দ্রের ভেতরে পুলিশ এসে অবস্থান নেয়।

এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মোস্তানুর রহমান বলেন, “ককটেল বিস্ফোরণের পর কিছুক্ষণের জন্য ভোট স্থগিত রাখা হয়েছিল। তখন ভোটারদেরও ভোট কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।”

ঘণ্টাখানেক পরে আবার সেখানে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

 

-এ

 

 

সূত্র- বিডি নিউজ২৪।


-->


সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক: আবু সুফিয়ান
চেয়ারম্যান: মুসলিমা সুফিয়ান

কল: 01723-980255,01919-972103
নিউজ রুম :01710-972103
ইমেল: [email protected]

১২মধ্য বেগুনবাড়ি,তেজগাঁও শিল্প এলাকা,ঢাকা -১২০৮
ইমেল: [email protected]