বৃহস্পতিবার , ১৫ নভেম্বর ২০১৮


চলতি করবর্ষে নিয়মিত আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময় ৩০ নভেম্বর




ফটো নিউজ ২৪ : 30/10/2018


-->

চলতি করবর্ষে নিয়মিত আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময় ৩০ নভেম্বর।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চাইলেও এ সময় আর বাড়াতে পারবে না। তবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ উল্লেখ করে কোনো করদাতা আবেদন করলে এনবিআর বিশেষ বিবেচনায় ওই করদাতার রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়াতে পারবে।

এবার কোনো রাজস্ব কর্মকর্তা করদাতাকে রিটার্নে মিথ্যা তথ্য দিতে সহায়তা করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। একই সঙ্গে রিটার্নে তথ্য সংযুক্তিতে স্বচ্ছতা আনতে কৌশল নিয়েছে এনবিআর।

গত করবর্ষের আগের করবর্ষ পর্যন্ত নিয়মিত রিটার্ন জমার শেষ সময় ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর। এ নিয়ম থাকাকালে এনবিআর নিয়মিত রিটার্ন জমার সময় কয়েক দফা বাড়িয়েছে। কিন্তু বাজেটে আইনি কাঠামোয় পরিবর্তন এনে সময়সীমা বাড়ানোর ক্ষমতা এনবিআরের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিশেষ কারণ দেখিয়ে নিয়মিত সময়ের পরে রিটার্ন দাখিলের সুযোগও কমিয়েছে। আগে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের নির্ধারিত কর্মকর্তা অনুমোদন পেলেই করদাতা নিয়মিত সময়ের পরে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ পেতেন। এবারে নিয়মিত সময়ের পরে আয়কর রিটার্ন জমার সুযোগ চেয়ে আবেদন করা হলে তা কর অঞ্চলের কর্মকর্তারা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট কর কমিশনার এবং এনবিআর সদস্যের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে।

এ প্রতিবেদন আবারও যাচাই-বাছাই শেষে এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হবে। এনবিআর চেয়ারম্যান খতিয়ে দেখে অনুমোদন দিলে তবেই করদাতা নিয়মিত সময়ের পরে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। অনুমোদন না নিয়ে কোনো করদাতা নিয়মিত সময়ের পরে আয়কর রিটার্ন জমা দিলে সংশ্লিষ্ট কর কমিশনার সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে।

অনেক সময় আয়ের পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ না থাকলেও অনেক এনবিআর কর্মকর্তা অনৈতিক সুবিধা নিয়ে করদাতাকে আয়কর পরিশোধের পক্ষে প্রমাণপত্র সরবরাহ করে থাকে। চলতি বারে এসব অসাধু কর্মকর্তাকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ওই কর্মকর্তাকে দুই বছরের জেল এবং এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। এনবিআর তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করতে পারে।

চলতি করবর্ষে নির্ধারিত আয়ের পাশাপাশি অন্য কোনো উৎস থেকে আয় থাকলে সেই বাড়তি আয়ের তথ্য আলাদা ফরমে উল্লেখ করে মূল রিটার্নের সঙ্গে জমা দিতে হবে।

এবার করদাতাদের সুবিধায় আয়কর রিটার্ন ফরম সহজ থাকছে। মেশিন রিডেবল ফরম্যাট অনুসারে তৈরি আয়কর ফরম তৈরি করা হয়েছে। এখানে মূলত তিন ধাপে তথ্য সরবরাহ করতে হবে। ব্যক্তিগত তথ্য, আয়ের উৎস ও করের পরিমাণ এবং যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ রাখা হবে এসব ফরমে।

করদাতার আয় ২০ লাখ টাকার বেশি হলে আয়কর রিটার্নের সঙ্গে আলাদা সম্পদ বিবরণীর ফরম জমা দিতে হবে। এ ছাড়া নির্ধারিত আয়ের (মূল) পাশাপাশি অন্য কোনো উৎস থেকে যেমন বাড়ি, ফ্ল্যাট, জমি, ব্যবসা ইত্যাদি থেকে আয় থাকলে সেই বাড়তি আয়ের তথ্য আলাদা ফরমে উল্লেখ করে করদাতাকে মূল রিটার্নের সঙ্গে জমা দিতে হবে।

বর্তমান আইনে বাড়িভাড়া, যাতায়াত ভাতা ও চিকিৎসা ভাতা বাদ দিয়ে বার্ষিক আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত। এর বেশি আয়ে প্রযোজ্যহারে কর দিতে হয়।

এ বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, এবারে আয়কর রিটার্নে কিছু নতুন পদক্ষেপ যুক্ত করে কর পরিশোধে স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা করা হয়েছে। আয়কর রিটার্ন গ্রহণে এনবিআরের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

 

-এ


-->


সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক: আবু সুফিয়ান
চেয়ারম্যান: মুসলিমা সুফিয়ান

কল: 01723-980255,01919-972103
নিউজ রুম :01710-972103
ইমেল: [email protected]

১২মধ্য বেগুনবাড়ি,তেজগাঁও শিল্প এলাকা,ঢাকা -১২০৮
ইমেল: [email protected]