রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮
  • প্রচ্ছদ » জাতীয় » তেজগাঁও বিমানবন্দর বিমান বাহিনীর, বিমান বাহিনীরই থাকবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


তেজগাঁও বিমানবন্দর বিমান বাহিনীর, বিমান বাহিনীরই থাকবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা




ফটো নিউজ ২৪ : 27/10/2018


-->

রাজধানীর তেজগাঁও বিমানবন্দর কোনোদিনই বন্ধ হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ জন্য বিমান বাহিনীকে সতর্ক থাকতে বলেছেন তিনি।

২৭ অক্টোবর, শনিবার সকালে তেজগাঁও বিমানবন্দরে বিমান বাহিনীর এয়ার মুভমন্টে ফ্লাইটের নতুন ভিভিআইপি কমপ্লেক্সের উদ্বোধনের সময় এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই এয়ারপোর্ট কোনোদিনই বন্ধ হবে না। এটা বিমান বাহিনীর, বিমান বাহিনীরই থাকবে।

আমি এটুকু সতর্ক করতে চাই যে, এটার ওপর অনেকের কিন্তু শ্যেনদৃষ্টি আছে। এটা যেন বেহাত না হয়, বিমান বাহিনী এটাকে সেভাবে ব্যবহার করবে।’

 

‘এটার আশপাশে উঁচু উঁচু বিল্ডিং বানাতে হবে, এই চিন্তা যেন সকলের মাথা থেকে চলে যায়।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি বারবার বিমান বাহিনীকে সতর্ক করেছি, এই জায়গা নেওয়ার জন্য সকলে কিন্তু হাত বাড়িয়ে বসে আছে।

আমি যতদিন ক্ষমতায় আছি, আমি দেবোই না।’

 

 

বিমানবন্দরের ব্যবহার বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কখনো যেন এটা নিতে না পারে, সেজন্য এটার ব্যবহার বাড়াতে হবে। মাঝে মাঝে এখান থেকে প্লেন চালাতে হবে। যেন সকলে জানে, এটা ব্যবহার হচ্ছে। আমি যখন থাকব না, তখন এসে নিয়ে যাবার চেষ্টা করবে।’

 

ঢাকায় দ্বিতীয় একটি বিমানবন্দরের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি চাই না যে এয়ারপোর্টটা নষ্ট হোক। ঢাকা শহরে আরেকটা এয়ারপোর্ট আমাদের একান্তভাবে দরকার। যেহেতু এটা আমাদের জন্য তৈরি করা আছেই। কেন আমরা এটাকে নষ্ট করব।’

 

বিমান বাহিনীর জন্য আরও জায়গা দরকার মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিমান বাহিনীর কলেবর বৃদ্ধি করছি। আমাদের ছোট দেশ, কিন্তু আমাদের কিছুই থাকবে না, এটা তো হতে পারে না। কারো দিকে তাকিয়ে তো বসে থাকব না।’

প্রধানমন্ত্রী তার শৈশবরে কথা স্মরণ করে অনুষ্ঠানে বলেন, ‘এটাকে তখন তেজগাঁও অ্যারোড্রাম বলা হতো। ১৯৫৬ সালে প্রথম প্লেনে চড়েছিলাম। আমার চাচার সাথে এখান থেকে খুলনা গিয়েছিলাম। ১৯৬৯ সালে এখান থেকেই করাচি, সেখান থেকে ভিসা নিয়ে ইতালি যাই, আমার স্বামীর কর্মস্থলে।’

১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এ বিমানবন্দরকে বিমান বাহিনীর হাতে তুলে দেয়।

বিমানবন্দরটি বন্ধ করে দেওয়ার জন্য সরকারের ওপর ‘চাপ’ আসার কথা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখানে কর্ম কমিশনের অফিস করে দেওয়া হয়। নানা জায়গা থেকে চাপ আসতে থাকে, এই বিমানবন্দর রাখার দরকার কী?

এই বিমানবন্দর যখন বিমান বাহিনীর হাতে তুলে দিই, তখনো আপত্তি ছিল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই বিমানবন্দর থাকলে আশপাশে উঁচু দালান করা যায় না, সেজন্য এটা বন্ধ করার চেষ্টা হয়েছে।

মেট্রোরেলের যে ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হয়, এমনভাবে করা হয়েছিল, যেন এই বিমানবন্দর চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।’

তেজগাঁও বিমানবন্দরের নতুন ভিভিআইপি কমপ্লেক্স উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, তিন বাহিনী প্রধান এবং বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

-এ


-->


সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক: আবু সুফিয়ান
চেয়ারম্যান: মুসলিমা সুফিয়ান

কল: 01723-980255,01919-972103
নিউজ রুম :01710-972103
ইমেল: [email protected]

১২মধ্য বেগুনবাড়ি,তেজগাঁও শিল্প এলাকা,ঢাকা -১২০৮
ইমেল: [email protected]