শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮


বিমানবন্দর থেকে ‘উধাও’ ৯০০ মোবাইল সেট!




ফটো নিউজ ২৪ : 09/08/2018


-->

মোবাইল সেট অামদানিকারক একটি প্রতিষ্ঠান মাসে চীন থেকে সাড়ে চার হাজার মোবাইল সেট বিমানে করে বাংলাদেশর নিয়ে অাসে।

এরপর সেগুলো বিমানবন্দরের পণ্য সংরক্ষণ কক্ষে রাখা হয়।

অার সেখান থেকে ‘উধাও’ হয়েছে ৯০০ মোবাইল সেট।

সেটগুলোর খোঁজ না পেয়ে অামদানিকারক ওই প্রতিষ্ঠান থানায় মামলা করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হংকং থেকে আমদানি করা মোবাইল সেট ছিল স্যামসাংয়ের।

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের নাম এক্সেল টেলিকম প্রাইভেট লিমিটেড।

অামদানিকারক প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, গত মাসে চীন থেকে তারা ৫টি প্যালেট (১ প্যালেটে ৯০০ মোবাইল থাকে) আমদানি করেন। এর মধ্যে চার প্যালেট তারা হাতে পেলেও একটির হদিস নেই।

এদিকে বাংলাদেশ বিমান কর্তৃপক্ষ বলছে, চারটি পেলেট আমদানি করা হয়েছে।

কিন্তু আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বলছে, ৯০০ মোবাইলের মধ্যে তিনটি হ্যান্ডসেট দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে।

এই বিষয়ে তারা এয়ারপোর্ট থানায় একটি মামলা করেছেন।

 

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এক্সেল টেলিকম প্রাইভেট লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা (লজিস্টিক) সাইফুর রহমান বলেন, ‘মোবাইল ফোনের পাঁচটি প্যালেট আমরা আমদানি করেছিলাম। চারটি বুঝে পেলেও একটি প্যালেট পাওয়া যায়নি।

আমরা স্যামস্যাংয়ের মাদার অফিস থেকে জানতে পেরেছি, তিনটি হ্যান্ডসেট দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। পুলিশকে বলা হয়েছে, সেই বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে।

মোবাইল ফোনগুলোতে সিম ঢুকিয়ে সেট চালু করলে একটা মেসেজ আসে। সেই মেসেজ আমরা পেয়েছি এবং সেখানেই দেখা যাচ্ছে, মোবাইলগুলো দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে।

আমাদের আমদানি করা পাঁচটি প্যালটের সবগুলোর কাগজপত্র আছে। শিউর (নিশ্চিত) ফোনগুলো চুরি হয়েছে।’

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, মোবাইল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটি ৬ জুলাই হংকং থেকে স্যামস্যাং SM-J600GZBGBNG মডেলের ৫ প্যালেট মোবাইল আমদানি করে। ইনভয়েস নম্বর ৯০১২৫৩৬১৮৩।

৮ জুলাই বাংলাদেশ বিমানের ই-ওয়াই ৯৮০৭ বিমানে করে মোবাইলগুলো রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে তা বাংলাদেশ বিমানের তত্বাবধানে ম্যানওয়্যার হাউস-২তে সংরক্ষিত ছিল।

১২ জুলাই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মনোনীত ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্ট মমতা ট্রেডিং কোম্পানি ঢাকা কাস্টমসসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষে মোবাইল ছাড় করানোর জন্য গেলে সেখানে ৯০০ মোবাইলের হদিস মেলেনি।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ওই মোবাইলগুলো ৮ থেকে ১২ জুলাইয়ের মধ্যে অজ্ঞাত চোররা ম্যানওয়্যার হাউস-২ থেকে চুরি করে নিয়েছে।

এক মাস পর ৬ আগস্ট মোবাইলগুলোর নম্বর (আইএমই) সংগ্রহ করে থানায় মামলা করা হয়। মোবাইলগুলোর বাজার মূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) এয়ারপোর্ট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজন ফকির জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরই মোবাইলের আইএমই নম্বর পুলিশের বিশেষ শাখায় দেওয়া হয়েছে।

সেগুলো দেশের কোথাও ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, তা জানার চেষ্টা চলছে।


-->


সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক: আবু সুফিয়ান
চেয়ারম্যান: মুসলিমা সুফিয়ান

কল: 01723-980255,01919-972103
নিউজ রুম :01710-972103
ইমেল: [email protected]

১২মধ্য বেগুনবাড়ি,তেজগাঁও শিল্প এলাকা,ঢাকা -১২০৮
ইমেল: [email protected]