শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮
  • প্রচ্ছদ » জাতীয় » নেপালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান দুর্ঘটনা
    পাইলটের সঙ্গে এটিসি’র যোগাযোগের ঘাটতি ছিল ৪৭ সেকেন্ড


নেপালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান দুর্ঘটনা
পাইলটের সঙ্গে এটিসি’র যোগাযোগের ঘাটতি ছিল ৪৭ সেকেন্ড




ফটো নিউজ ২৪ : 12/04/2018


-->

নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান দুর্ঘটনার ঠিক আগ মুহূর্তে পাইলটের সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) বিভাগের কথোপকথনের সময়ে ঘাটতি ছিল ৪৭ সেকেন্ড।

পাইলট ও এটিসি কর্মকর্তাদের মধ্যকার কিছু বার্তা সঠিকভাবে না পৌঁছানোর কারণেই এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে।

১২ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার বিকেলে সিভিল এভিয়েশন কার্যলয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন এয়ারক্রাফট এক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন গ্রুপ অব বাংলাদেশের (এএআইজি-বিডি) প্রধান ক্যাপ্টেন সালাহউদ্দিন এম রহমতুল্লাহ।

 

নেপাল ট্র্যাজেডির এক মাস পূর্ণ হলো বৃহস্পতিবার। এই দিনে আলোচিত এ দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করল এএআইজি-বিডি।

এ সময় তিনি দুর্ঘটনার কারণ ও বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

পাইলট ও এটিসির মধ্যে কথোপকথনে যে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে সে বিষয়ে সালাহউদ্দিন এম রহমতুল্লাহ বলেন, ‘এটিসি থেকে জিরো টু এবং টু জিরো রানওয়ে নিয়ে একটু ভুল হয়েছিল। তা আবার তাৎক্ষণিক কারেকশন করে দেওয়া হয়েছিল। কাজেই এটা স্বাভাবিক বিষয়।

তবে শেষ মুহূর্তে পাইলটের কাছ থেকে ইমার্জেন্সি কোনো কল করা হয়নি এটিসিতে।

প্রথম থেকেই নেপালের এটিসির সঙ্গে পাইলটের শেষ পর্যন্ত যোগাযোগ থাকলেও শেষের দিকে ৪৭ সেকেন্ডের মতো কোনো যোগাযোগ ছিল না।

এই কিছুক্ষণ সময় যে জিনিসটা চেয়েছে, সেই জিনিসটা তাৎক্ষণিকভাবে আদান-প্রদান হয়নি।’

সালাউদ্দিন বলেন, ‘প্রথমদিকে কো-পাইলট পৃথুলা রশিদের সাথে এটিসির যোগাযোগ ছিল।

পরবর্তীতে যোগাযোগ করে ক্যাপ্টেন আবিদ। আর ইউটিউবে যে অডিও পাওয়া গেছে, সেটা অরিজিনাল অডিও নয়।’

এএআইজি-বিডির প্রধান ক্যাপ্টেন বলেন, ‘দুর্ঘটনার সময় শুধু পাইলটের সঙ্গে এটিসির যোগাযোগে ঘাটতির কারণেই বিমানটি অবতরণের ঠিক আগ মুহূর্তে নির্দিষ্ট স্থান বরাবর ছিল না। কিছুটা বাঁকা ছিল, যার কারণে রানওয়ে থেকে ছিটকে বাহিরে চলে যায়।’

ক্যাপ্টেন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নির্দিষ্ট স্থান বরাবর (অ্যালাইনমেন্ট) ঠিক রাখার চেষ্টা করছেন। কিন্তু শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি অ্যালাইনমেন্ট সোজা করতে পারেননি, যার কারণে এয়ারক্রাফটি রানওয়ে থেকে ঘাসের ওপরে চলে যায়। ঘাসের ওপর দিয়ে বেশ কিছু দূর যাওয়ার একটা ছোট ড্রেন আছে। সেটা পার হয়ে কাঁটাতারের বেড়া ভেঙে নিচু ঢালুর দিকে চলে যায়। আর চাকাগুলো রীতিমতো ঘষতে ঘষতে যায়।’

 

 

তদন্ত প্রতিবেদনে জানানো হয়, দুর্ঘটনার সময় বিমানটি রানওয়ে থেকে প্রায় ৪৪২ মিটার দূরে চলে যায়।পরে আগুন ধরে বিধ্বস্ত হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজের কোনো ধরনের সমস্যা ওঠে আসেনি। তবে এই প্রতিবেদনে সামান্য কিছু তথ্য তুলে ধরা হলেও বিমানের পাইলট, কেবিন ক্রু ও যাত্রীসহ সার্বিক তথ্য বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়নি।

গত ১২ মার্চ, সোমবার নেপালের কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়।

এ ঘটনায় ৭১ আরোহীর মধ্যে ৫১ জন নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে চার ক্রুসহ ২৬ জনই বাংলাদেশি।

 

-এ


-->


সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক: আবু সুফিয়ান
চেয়ারম্যান: মুসলিমা সুফিয়ান

কল: 01723-980255,01919-972103
নিউজ রুম :01710-972103
ইমেল: [email protected]

১২মধ্য বেগুনবাড়ি,তেজগাঁও শিল্প এলাকা,ঢাকা -১২০৮
ইমেল: [email protected]