শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮
  • প্রচ্ছদ » জাতীয় » বাংলাদেশের আইটি সেক্টর ও তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করাই আমাদের লক্ষ্য: জয়


বাংলাদেশের আইটি সেক্টর ও তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করাই আমাদের লক্ষ্য: জয়




ফটো নিউজ ২৪ : 07/12/2017


-->

Sajeeb-Wazed-Joy

বাংলাদেশের আইটি সেক্টর ও তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করাই তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হওয়া চার দিন-ব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তির মহাসম্মিলন ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড–২০১৭’ এর দ্বিতীয় দিন অনুষ্ঠিত মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্সে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

জয় বলেন, ‘আমাদের আইডিয়া রয়েছে।

আমি ভবিষ্যদ্বাণী করতে চাচ্ছি না যে আমাদের কোন সেক্টরটি ছেড়ে কোন সেক্টরটি ডেভলপ করা হবে।

আমরা আমাদের আইডিয়াগুলো প্রমোট করতে চাই যা ন্যাচারালি ডেভলপ হবে।’

 

তিনি আরও বলেন, দেশের আইসিটি মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্য বাংলাদেশের আইটি সেক্টর ও তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করা।

এর আগে কি-নোট উপস্থাপনায় সজীব ওয়াজেদ বলেন, বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত ভবিষ্যতের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত। এজন্য ৪র্থ শিল্প বিপ্লব নিয়ে এখন কথা বলার সময় এসেছে। কারণ, দ্রুত বদলে যাওয়া প্রযুক্তি মানুষের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আনছে।

 

ফলে, অর্থনীতির বিকাশ ও শিল্পায়নও দ্রুত ঘটছে। ২০২৫ সালের মধ্যেই ন্যানোম্যাটেরিয়ালের বাণিজ্যিক ব্যবহার দেখা যাবে। এসব ন্যানোম্যাটেরিয়াল স্টিলের চেয়েও ২০০ গুন শক্ত কিন্তু চুলের চেয়েও পাতলা। থ্রিডি প্রিন্টেড লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট হবে।

 

১০ শতাংশের বেশি গাড়ি হবে চালকহীন।

সরকার, ব্যবসা ও সাধারণ মানুষের জীবনেও এর প্রভাব দেখা যাবে। আগামীর বাংলাদেশ পৃথিবীর এসব উন্নত প্রযুক্তিগুলোকে গ্রহণের মাধ্যমে এগিয়ে যাবে।

সজীব ওয়াজেদ বলেন, সরকার বেসরকারি খাতকে সঙ্গে নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে কাজ করেছে।

জনগণ তথ্যপ্রযুক্তির সুফলও ভোগ করছে। ফলে, বাংলাদেশে প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে বহুগুণ।

এই ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডেই আপনারা দেখেছেন ড্রোন, বিশ্বের উন্নত রোবট সোফিয়াকে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে মোবাইল সুপারকম্পিউটিং, চালকহীন গাড়ি, কৃত্রিম বুদ্ধিমান রোবট, নিউরো প্রযুক্তির ব্রেন, জেনেটিক এডিটিং দেখতে পাবে।

প্রযুক্তির এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের মানুষের জন্য আমাদেরকে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে হবে।

নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ও প্রকৌশলীদের জন্য আগামী ভবিষ্যত হবে এবং এজন্য নতুন প্রজন্মকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে সজীব ওয়াজেদ বলেন, বর্তমানে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ থেকে দেওয়া হচ্ছে, ভাবিষতে প্রাথমিক স্তরেও আইসিটি শিক্ষা দেয়া হবে।

দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে ভবিষ্যত পরিকল্পনা রয়েছে আইটি শিক্ষা প্রাইমারি লেবেল থেকে শুরু করার।

উপদেষ্টা বলেন, ৬ষ্ঠ শ্রেণীর চেয়ে প্রাথমিকে আইটি শিক্ষা শুরু করা কঠিন হবে না এ লেবেলে শুধুমাত্র লেখা শেখানো বা তাদের হোমওয়ার্ক ট্যাবের মাধ্যমে করা ইত্যাদি করা যেতে পারে।

 

শিশুরা এগুলো খুব দ্রুত শেষে। তবে এখানে আমাদের রিসোর্স একটি চ্যালেঞ্জ, স্বল্পমূল্যে ট্যাবলেট ও কম্পিউটার দেশে তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করছি কয়েক বছরের মধ্যে প্রাথমিক থেকে এ শিক্ষা শুরু করা যাবে।

 

২০০৮ সাল থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হওয়ার পর বর্তমানে দেশের ৪০ শতাংশ সরকারি সেবা ডিজিটাইজড হয়েছে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, আগামীতে বেশীরভাগ সেবা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হবে।

 

ভবিষ্যতে ৮০ শতাংশ সরকারি সেবা স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসা হবে।

এ সময় আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক বলেন, গত ৯ বছরে বাংলাদেশ দ্রুত পরিবর্তন ঘটেছে। আমরা দ্রুত এগিয়েছি।

ভবিষতের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করছি। তরুণদের উদ্যোক্তা হতে পথ দেখাচ্ছি। ৫ কোটি মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, কঙ্গোর প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য উপদেষ্টা ডায়োডোনি কালোম্বো কোলি বাডিবাং, কম্বোডিয়ার ডাক ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী কান চানমেটা, ভুটানের তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রী দিনা নাথ ডঙ্গায়েল, মালদ্বীপের সশস্ত্র ও জাতীয় নিরাপত্তা উপমন্ত্রী থরিক আলী লুথুফি, ফিলিপাইনের আইসিটি অধিদপ্তরের পরিচালক নেস্টর এস বোঙ্গাটা প্রমুখ।

 

-এ


-->


সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক: আবু সুফিয়ান
চেয়ারম্যান: মুসলিমা সুফিয়ান

কল: 01723-980255,01919-972103
নিউজ রুম :01710-972103
ইমেল: [email protected]

১২মধ্য বেগুনবাড়ি,তেজগাঁও শিল্প এলাকা,ঢাকা -১২০৮
ইমেল: [email protected]