রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৭
  • প্রচ্ছদ » আন্তর্জাতিক » ভারত-ভুটান-চীন ত্রিদেশীয় সীমান্ত সংলগ্ন ভারতীয় গ্রামগুলো খালি করছে ভারতীয় সেনাবাহিনী


ভারত-ভুটান-চীন ত্রিদেশীয় সীমান্ত সংলগ্ন ভারতীয় গ্রামগুলো খালি করছে ভারতীয় সেনাবাহিনী




ফটো নিউজ ২৪ : 10/08/2017


photonews24

চীন-ভারত চলমান উত্তেজনার মাঝে সিকিম সীমান্তের গ্রামগুলো থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সরিয়ে নিচ্ছে ভারত।
ভারত-ভুটান-চীন ত্রিদেশীয় সীমান্ত সংলগ্ন ভারতীয় গ্রামগুলো খালি করতে ভারতীয় সেনাবাহিনী নির্দেশ দেয়ার পর বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।
ভারত-ভুটান-চীন সীমান্তবর্তী নাথাং গ্রামের ভারতীয় বাসিন্দাদেরকে শিগগিরই তাদের বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।

 
প্রায় দুই মাস ধরে চীন-ভারত উত্তেজনা চলছে দোকলামে একটি সড়ক নির্মাণ কাজে চীনা সেনাবাহিনীর বাঁধা দেয়াকে কেন্দ্র করে।

নাথাং গ্রাম এই দোকলাম থেকে মাত্র ৩৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

 

 
এদিকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৩২-কোরের কয়েক হাজার সদস্যকে সুকনা থেকে দোকলামে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর অতিরিক্ত এসব সেনাসদস্যের আবাসের জন্য গ্রাম খালি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে কি না তা এখনো পরিষ্কার নয়।

 

Indian-Army
হঠাৎ সশস্ত্র সংঘর্ষ শুরু হলে বেসামরিক হতাহতের ঘটনা এড়াতে ভারতীয় সেনাবাহিনী পূর্ব সতর্কতা হিসাবে এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দোকলামের মালিকানা নিয়ে চীনের বারবার হুমকির মাঝে ভারতীয় সেনাবাহিনীর এ পদক্ষেপ গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।
গতকাল বুধবার চীনের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত দৈনিক গ্লোবাল টাইমসের এক খবরে ভারতকে সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়, যুদ্ধের ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে। ভারতের জ্ঞান ফেরানো এবং দোকলাম থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেয়া উচিত।

বিবাদমান সিকিমে চীনও অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে।

 
গ্লোবাল টাইমসের সম্পাদকীয়তে বলা হয়, সময় থাকতে নয়াদিল্লির জ্ঞান ফেরানো উচিত। সাত সপ্তাহ ধরে চলমান বিতর্কে সিকিমে শান্তিপূর্ণ আলোচনার দরজা বন্ধ হয়ে গেছে।

 
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার মতে, ভারতের সামরিক অনুপ্রবেশ চীনের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার লঙ্ঘন। গত জুনে ভারতীয় সীমান্ত সেনারা অস্ত্র ও চলন্ত বুলডোজার নিয়ে দোয়া কা লা (দোকলাম) পাস দিয়ে সিকিম সেক্টরের সীমান্ত অবৈধভাবে অতিক্রম করে চীনা ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ে।
প্রায় দুই মাস ধরে ভারত দোকলাম এলাকায় তার সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে। অথচ ভারত এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই এলাকাকে তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং চীনা সার্বভৌম এলাকা হিসেবে স্বীকার করে নিয়েছে।

 
দুই দেশের মধ্যকার অচিহ্নিত সীমান্তে সীমান্ত-সৈন্যদের অতীত মোকাবিলার চেয়ে এই ঘটনা প্রকৃতিগতভাবে ভিন্ন।
ভারতের এ পদক্ষেপ ১৮৯০ সালে সিকিম ও তিব্বত নিয়ে গ্রেট ব্রিটেন ও চীনের মধ্যকার কনভেনশনের খেলাপ।

 
ওই কনভেনশনে তিব্বত স্বায়াত্তশাসিত অঞ্চল এবং ভারতের সিকিম রাজ্যের সীমানা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয়েছিল।
স্বাধীনতার পর থেকে ভারতের প্রতিটি সরকার ওই কনভেনশনের আলোকে সীমান্তকে নিশ্চিত করে গেছে।

 
ভারত এবার কেন আগের অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ালো তা বোঝা কঠিন।
একবার কোনো কনভেনশনের মাধ্যমে সীমান্ত প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে তা আন্তর্জাতিক আইনে সুরক্ষিত থাকে।

 

 

-এ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক: আবু সুফিয়ান
চেয়ারম্যান: মুসলিমা সুফিয়ান

কল: 01723-980255,01919-972103
নিউজ রুম :01710-972103
ইমেল: [email protected]

১২মধ্য বেগুনবাড়ি,তেজগাঁও শিল্প এলাকা,ঢাকা -১২০৮
ইমেল: [email protected]