বুধবার , ২৩ অগাস্ট ২০১৭
  • প্রচ্ছদ » সমগ্র বাংলাদেশ » ‘কওমি শিক্ষার স্বীকৃতি দিয়ে অন্যান্য শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে পার্থক্যের অবসান করেছেন প্রধানমন্ত্রী’


‘কওমি শিক্ষার স্বীকৃতি দিয়ে অন্যান্য শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে পার্থক্যের অবসান করেছেন প্রধানমন্ত্রী’




ফটো নিউজ ২৪ : 17/06/2017


শেরপুর প্রতিনিধি : কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, এতো দিন কওমি মাদ্রসা শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে অন্যান্য শিক্ষা ব্যবস্থার একটি পার্থক্য ছিল। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কওমি শিক্ষা ব্যবস্থাকে স্বীকৃতি দিয়ে অন্যান্য শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে পার্থক্যের অবসান করেছেন। আজ গরীব দুস্থ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণকালে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার গোল্লারপাড় মদিনাতুল কুলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একদিকে যেমন আমাদের দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। অন্যদিকে, দেশে-বিদেশে বাংলাদেশের সুনাম কুড়াচ্ছেন। তিনি মুসলিম উম্মার দেশে গুলোর ভেতরে শান্তির সু-বাতাস বয়ে আনার জন্য মধ্য প্রচ্যের দেশ গুলোতে সফর করছেন। তবে আফসোস, মধ্য পাচ্যের দেশগুলোসহ অনেক দেশেই জঙ্গিবাদের উত্থান হচ্ছে। জঙ্গিরা ধর্মের নামে মানুষ খুন করে ও ধবংষজ্ঞ চালায়। ইসলাম শান্তির ধর্ম। রাসূলে পাক (সা.) জেহাদ করেছেন। তবে তিনি কখনোই একটাও নিরঅপরাধ মানুষেকে হত্যার কথা বলেন নি। আর বিদায় হজের সময় তিনি বলেছিলেন, সাবধান ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না। আমরা অতীতে দেখছি, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে গিয়ে অনেক ধর্ম নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু ইসলাম এখনো ঠিকে আছে, কারণ ইসলাম শান্তি, সাম্য ও মৈত্রীর বাণী নিয়ে আসে। তবে আফসোস পশ্চিামা দেশ গুলো আমাদের মুসলমান দেশ গুলোতে এজেন্ড ডুকিয়ে দিয়েছে। আর এই এজেন্ডরা এসে আমাদের জঙ্গিবাদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

তিনি অরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখেছেন, তিনি ইসলামী দেশসহ সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশের সুনাম কুড়িয়ে এনেছেন। শেখ হাসিনা মুনাফিক না। উনি গোলাম আজমের সাথে বসে ইসলাম কায়েম করেন নি। আর মুক্তিযোদ্ধের সময় খানসেনারা আমদের মা বোনদের ইজ্জত নষ্ট করেছিল যখন, তখন গোলাম আজমেরা ফতোয়া দিয়েছিল, যুদ্ধের সময় জেনা জায়েজ। এরা ইসলামের শত্রু। তাই এদের বিরুদ্ধে আমাদের হুশিয়ার হওয়া উচিত।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর নিজস্ব ত্রাণ তহবিল থেকে আজ দিনব্যাপী উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের ২৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৮ম ও ৯ম শ্রেণির ২২৯ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে শার্ট ও থ্রী পিচ এবং গরিব দুস্থদের মাঝে ১ হাজার ২শ শাড়ি, ৪শ শার্ট ও ৪শ টাউজার বিতরণ করা হয়।

এ সময় জেলা প্রশাসক (ডিসি) মল্লিক আনোয়ার হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম গণি, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একে এম মুখলেছুর রহমান রিপন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরফদার সোহেল রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউল হোসেন, পৌর মেয়র আবু বক্কর সিদ্দিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এমডি/মানিক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক: আবু সুফিয়ান
চেয়ারম্যান: মুসলিমা সুফিয়ান

কল: 01723-980255,01919-972103
নিউজ রুম :01710-972103
ইমেল: [email protected]

১২মধ্য বেগুনবাড়ি,তেজগাঁও শিল্প এলাকা,ঢাকা -১২০৮
ইমেল: [email protected]