শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২০
  • প্রচ্ছদ » ভ্রমন » পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে সূর্যাস্ত এবং সাগরের বুকে ভাসমান জাহাজ যেন কল্পনার সৌন্দর্য্যকেও হার মানায়


পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে সূর্যাস্ত এবং সাগরের বুকে ভাসমান জাহাজ যেন কল্পনার সৌন্দর্য্যকেও হার মানায়




ফটো নিউজ ২৪ : 27/12/2016


-->

15749750_1364701080220733_639445254_n

আসিফ সুফিয়ান – শীতের সময়টা ঘোরাঘুরির জন্য একেবারে উপযুক্ত সময়।

এই সময়ে সবাই কম-বেশি ঘুরতে যেতে পছন্দ করেন। আর সেই বিনোদন স্পট যদি আগে থেকেই পছন্দের তালিকায় থাকে আরতো কথায় নেই।

দেশের যে কয়টি পর্যটন নগরী রয়েছে তার মধ্যে চট্টগ্রাম অন্যতম।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত বিনোদন প্রেমিদের পছন্দের স্থানে রয়েছে।

প্রতি বছরের মতো এবারও শীত মৌসুমে সারাদেশ থেকে হাজার হাজার পর্যটক ও ভ্রমণ পিপাসু মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে বেড়াতে আসছেন সী-বীচ এলাকায়।

প্রথম দেখাতেই এই সী-বীচ যে কারও মন কাড়বে।

কী নেই এখানে। উড়ে ঘাসের সবুজ সৈকত। পাখির ঝাঁক, ডিঙ্গি নৌকা, জালটানা জেলে, সাগরের বুকে ভাসমান জাহাজ, এ যেন কল্পনার সৌন্দর্য্যকেও হার মানায়।

এই সৈকতে আসা দর্শণার্থীদের আরেকটি বাড়তি আনন্দ দেয় সূর্যাস্তের পাশাপাশি তারার মতো জ্বলে উঠা সাগরের বুকে জাহাজগুলো।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারেও পাওয়া যাবে না।

তবে এই পর্যটন স্পটে বিভিন্ন অব্যস্থাপনায় সরকার হারাচ্ছে কোটি টাকার রাজস্ব। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এলোমেলোভাগে গড়ে উঠেছে ভাসমান দোকান পাট।

15731711_1364700326887475_1736328189_n

তা ছাড়া আবাসনের সমস্যা, লাইটিং, নিরাপত্তারও তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। নেই কোনো ভালো মানের হোটেল।

টয়লেট ও যাতায়াতের সমস্যার কারণে পর্যটকদের হতাশ হয়ে ফিরতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নিলে এই পর্যটন এলাকা থেকেও কোটি টাকার বেশি রাজস্ব পাবে সরকার।

সেই সঙ্গে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের পর্যটন সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেত। খুব সহজে নগরবাসীর কাছে সী-বীচ হয়ে উঠতে পারে আরও বেশি আকর্ষণীয়।

বেড়াতে আসা পর্যটকরা অভিযোগ করে বলেন, এতো সুন্দর সমুদ্র সৈকতে নেই কোন টয়লেটের ব্যবস্থা।

তা ছাড়া খাবারের মানও ভালো নয়। যে কয়টি রেস্টুরেন্ট সেগুলোতে খাবারের দামও অনেক গুণ বেশি।

কিছু পর্যটক অভিযোগ করেন, সন্ধ্যার পর হলে বখাটেদের বিভিন্ন কটুক্তি করে।

টুরিস্ট পুলিশের চট্টগ্রাম বিভাগের এডিশনাল ডিআইজি মোহাম্মদ মোসলেম এ বিষয়ে বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা মাথায় রেখে সী-বীচের পাশে পুলিশ ক্যাম্প করা হয়েছে।

যে কেউ হয়রানি হলে তাৎক্ষণিক ক্যাম্পে অভিযোগ করতে পারবে। আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

তিনি বলেন, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটতে পারে। তবে আমাদের কাছে কোন অভিযোগ আসেনি।

আসলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সরকার এই বিনোদন স্পটটিকে পর্যটন কর্পোরেশনের আওতায় এনে অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ শুরু করেছে।

ইতোমধ্যে পতেঙ্গা সমদ্র এলাকায় বেশ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কাজ হয়েছে। বছর দু’একের মধ্যে সী-বীচের চেহারা বদলে যাবে।

এমনটি জানালেন, জেলা প্রশাসক মো.শামসুল আরেফিন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে বিনোদন প্রেমিদের অন্যতম স্পট পতেঙ্গা সী-বীচ। সবুজ প্রকৃতি যেন সাগরের সঙ্গে মিশে গেছে।

এখানে আসলে যে কারও মন ভালো হয়ে যাবে। তবে পর্যটকদের কিছু অভিযোগও রয়েছে খাবারের মানসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। সেগুলো আমরা দেখছি।

15726197_1364700420220799_254773883_o


-->


সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক: আবু সুফিয়ান
চেয়ারম্যান: মুসলিমা সুফিয়ান

কল: 01723-980255,01919-972103
নিউজ রুম :01710-972103
ইমেল: Photonews24@yahoo.com

১২মধ্য বেগুনবাড়ি,তেজগাঁও শিল্প এলাকা,ঢাকা -১২০৮
ইমেল: shufian707@gmail.com